TBSE History Class 12 – Chapter 4 Suggestion & Smart Study Guide (2026)

·

·

অধ্যায় ৪ চিন্তাবিদ, বিশ্বাস এবং ভবন সাংস্কৃতিক বিকাশ

১. প্রশ্ন: ‘স্তূপ’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: একটি ঢিবি বা পবিত্র স্মৃতিস্তম্ভ।

২. প্রশ্ন: স্তূপটি প্রথম কোন ধর্মের সাথে সম্পর্কিত ছিল?

উত্তর: বৌদ্ধধর্ম।

৩. প্রশ্ন: স্তূপ কেন নির্মিত হয়েছিল?

উত্তর: বুদ্ধের দেহাবশেষ এবং স্মৃতি সংরক্ষণ করা।

৪. প্রশ্ন: স্তূপের স্বাভাবিক আকৃতি কেমন?

উত্তর: অর্ধবৃত্তাকার (গম্বুজ আকৃতির)।

৫. প্রশ্ন: স্তূপের উপরে অবস্থিত বর্গাকার কাঠামোকে কী বলা হয়?

উত্তর: হার্মিকা।

৬. প্রশ্ন: স্তূপের চারপাশে ঘেরা রেলিংকে কী বলা হয়?

উত্তর: বেদিকা।

৭. প্রশ্ন: স্তূপের চারপাশে প্রদক্ষিণ পথকে কী বলা হয়?

উত্তর: প্রদক্ষিণা পথ (পরিক্রমা পথ)।

৮. প্রশ্ন: সাঁচি কোথায় অবস্থিত?

উত্তর: ভোপাল অঞ্চলের কাছে।

৯. প্রশ্ন: সাঁচি কোন ধর্মীয় স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত?

উত্তর: বৌদ্ধ স্তূপ।

১০. প্রশ্ন: সাঁচি কখন পুনরাবিষ্কৃত হয়েছিল?

উত্তর: ১৭৯৬ খ্রিস্টাব্দে।

১১. প্রশ্ন: কোন শাসকরা সাঁচি সংরক্ষণে সহায়তা করেছিলেন?

উত্তর: শাহজাহান বেগম এবং সুলতান জাহান বেগম।

১২. প্রশ্ন: ‘In situ’ শব্দটির অর্থ কী?

উত্তর: মূল স্থানে সংরক্ষণ।

১৩. প্রশ্ন: অমরাবতী স্তূপের খনন কাজ কখন শুরু হয়েছিল?

উত্তর: ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দে।

১৪. প্রশ্ন: প্রাথমিক বৈদিক যুগে প্রধান ধর্মীয় রীতি কী ছিল?

উত্তর: যজ্ঞ (বলিদানের আচার)।

১৫. প্রশ্ন: যজ্ঞ পরিচালনায় কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন?

উত্তর: পুরোহিত বা ব্রাহ্মণ।

১৬. প্রশ্ন: নিয়তিবাদ ( আজিবিকা মতবাদ) কোন দর্শনের সাথে সম্পর্কিত?

উত্তর: আজিবিকা দর্শন।

১৭. প্রশ্ন: নিয়তিবাদ অনুসারে, মানুষের ভাগ্যকে কীভাবে বর্ণনা করা হয়?

উত্তর: সম্পূর্ণ পূর্বনির্ধারিত।

১৮. প্রশ্ন: বস্তুবাদী দর্শনের অপর নাম কী?

উত্তরঃ লোকায়ত বা চার্বাক দর্শন।

১৯. প্রশ্ন: চার্বাক দর্শন কী অস্বীকার করে?

উত্তর: আত্মা, পরকাল এবং পুনর্জন্ম।

২০. প্রশ্ন: জৈন ধর্মের প্রধান প্রচারক কে ছিলেন?

উত্তর: মহাবীর।

২১. প্রশ্ন: জৈনধর্মের কেন্দ্রীয় নীতি কী?

উত্তর: অহিংসা (অহিংসা)।

২২. প্রশ্ন: বুদ্ধ কোন পথের পক্ষে কথা বলেছিলেন?

উত্তর: মধ্যপথ (মধ্যম মার্গ)।

২৩. প্রশ্ন: বুদ্ধ কয়টি মহৎ সত্য শিক্ষা দিয়েছিলেন?

উত্তর: চার।

২৪. প্রশ্ন: অষ্টগুণ পথ কয়টি অংশে বিভক্ত?

উত্তর: আট।

২৫. প্রশ্ন: বুদ্ধ কি নিজে কোন ধর্মীয় গ্রন্থ রচনা করেছিলেন?

উত্তর: না।

২৬. প্রশ্ন: বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের সংকলনকে কী বলা হয়?

উত্তর: ত্রিপিটক।

২৭. প্রশ্ন: ত্রিপিটকের ভাষা কী ছিল?

উত্তর: পালি।

২৮. প্রশ্ন: কোন চীনা তীর্থযাত্রীরা বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ চীনে নিয়ে গিয়েছিলেন?

উত্তরঃ ফা-হিয়েন ও হিউয়েন সাং।

২৯. প্রশ্ন: সাঁচি ভাস্কর্যে গাছের সাথে সম্পর্কিত নারী মূর্তির নাম কী?

উত্তর: যক্ষী।

৩০. প্রশ্ন: হাতি কিসের প্রতীক ছিল?

উত্তর: শক্তি ও প্রজ্ঞার প্রতীক।

২) বৈদিক ধর্মে যজ্ঞ কেন গুরুত্বপূর্ণ ছিল?

উত্তর:
প্রাথমিক বৈদিক যুগে, যজ্ঞ ছিল ধর্মীয় অনুশীলনের প্রধান মাধ্যম। এর মধ্যে ছিল বিভিন্ন দেবতাদের উদ্দেশ্যে স্তোত্র, প্রার্থনা, নৈবেদ্য এবং উপহার প্রদান। যজ্ঞ পরিচালনায় পুরোহিত বা ব্রাহ্মণরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন। পরবর্তী বৈদিক যুগে, বৃহৎ আকারের যজ্ঞগুলি রাজকীয় ক্ষমতা এবং সামাজিক সম্পদের সাথে যুক্ত হয়ে পড়ে, যার জন্য সম্পদ, জনবল এবং পুরোহিতের সহায়তার প্রয়োজন হত। সুতরাং, যজ্ঞ কেবল একটি ধর্মীয় আচার ছিল না বরং সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রদর্শনও ছিল।

৩) খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে কেন নতুন প্রশ্ন এবং বিতর্ক বৃদ্ধি পেয়েছিল?

উত্তর:
এই সময়কালে, মানুষ জীবন ও মৃত্যু, মৃত্যুর পরের জীবন, পুনর্জন্ম, কর্ম এবং মুক্তি সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করতে শুরু করে। আচার-অনুষ্ঠান-ভিত্তিক বৈদিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি, নতুন চিন্তাধারার উদ্ভব হয়। শিক্ষক এবং চিন্তাবিদরা যুক্তি এবং বিতর্ক ব্যবহার করে তাদের ধারণাগুলি ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ভ্রমণ করেছিলেন। ফলস্বরূপ, একাধিক দার্শনিক বিদ্যালয় বিকশিত হয়েছিল, অনুসারী অর্জন করেছিল, অথবা প্রত্যাখ্যান করেছিল। ব্যক্তিগত যুক্তি, জ্ঞান এবং মুক্তির ধারণাগুলি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, যা ব্রাহ্মণ্য আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করে।

৪) উপনিষদের শ্লোকগুলি কী ধরণের ধারণা প্রকাশ করে?

উত্তর:
উপনিষদের শ্লোকগুলি আত্মা (আত্মা), সত্য এবং প্রকৃতি সম্পর্কে গভীর দার্শনিক ধারণা প্রকাশ করে। তারা পরামর্শ দেয় যে সত্য বা অস্তিত্ব গভীর, সর্বজনীন এবং সর্বব্যাপী। মানুষের চিন্তাভাবনা আচার-অনুষ্ঠানের বাইরে অস্তিত্ব এবং জ্ঞানের প্রশ্নগুলিতে প্রসারিত হয়েছিল। এইভাবে, উপনিষদ আত্ম-জ্ঞান এবং দার্শনিক অনুসন্ধানের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে বৈদিক চিন্তাভাবনায় একটি নতুন মাত্রা প্রবর্তন করে।

আজিবিকা দর্শন) মূল ধারণা কী ?

উত্তর: নিয়তিবাদ বা
আজিবিকা দর্শন অনুসারে , মানুষের জীবন এবং ভাগ্য সম্পূর্ণরূপে পূর্বনির্ধারিত। মানুষের কর্ম ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে না; সুখ এবং দুঃখ স্থির। কর্মের মাধ্যমে মুক্তি অর্জন করা যায় না। এই দর্শন বৈদিক আচার-অনুষ্ঠানকে চ্যালেঞ্জ জানায় এবং প্রাচীন ভারতে দার্শনিক চিন্তাধারার বৈচিত্র্য তুলে ধরে।

৬) বস্তুবাদের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি লেখ ( লোকায়ত /চার্বাক দর্শন)।

উত্তর:
চার্বাক বা লোকায়ত দর্শন আত্মা, পরকাল এবং পুনর্জন্মের অস্তিত্বকে অস্বীকার করেছিল। এটি কেবল ইন্দ্রিয় দ্বারা উপলব্ধি করা যেতে পারে এমন বিষয়গুলিকে সত্য হিসাবে গ্রহণ করেছিল এবং আধ্যাত্মিক ধারণাগুলিকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। যজ্ঞ, দান এবং তপস্যার মতো আচার-অনুষ্ঠানগুলিকে অর্থহীন বলে মনে করা হত। মানুষ চারটি উপাদান দিয়ে গঠিত বলে বিশ্বাস করা হত – পৃথিবী, জল, আগুন এবং বায়ু। এই দর্শন বৈদিক ধর্মীয় চিন্তাধারার বিপরীতে দাঁড়িয়েছিল।

৭) জৈন ধর্মে মহাবীরের পার্থিব সুখ ত্যাগের ধারণা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর:
মহাবীর পার্থিব সুখ-সুখ ত্যাগের উপর জোর দিয়েছিলেন। জৈন ধর্মের মূল নীতি হল সকল জীবের প্রতি অহিংসা (অহিংসা)। অন্যান্য নীতিগুলির মধ্যে রয়েছে সত্য, চুরি না করা, ব্রহ্মচর্য এবং অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকা। জৈন ধর্ম শিক্ষা দেয় যে কর্মের ফলে পুনর্জন্ম ঘটে এবং মুক্তির জন্য কঠোর শৃঙ্খলা, আত্ম-নিয়ন্ত্রণ, ত্যাগ এবং কঠোর তপস্যা প্রয়োজন। অতএব, তপস্যা জৈন ধর্মের একটি সংজ্ঞায়িত বৈশিষ্ট্য।

৮) বুদ্ধের ‘মধ্যপথ’ কী এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর:
বুদ্ধ চরম ভোগ-ভোগ এবং চরম তপস্যা উভয়কেই প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তিনি মধ্যপন্থার পক্ষে ছিলেন, যা দুঃখ-কষ্ট কাটিয়ে ওঠার উপায় হিসেবে সংযম, নীতিগত আচরণ এবং শৃঙ্খলার উপর জোর দেয়। সম্পদ স্থায়ী সুখ বয়ে আনে না; আসক্তি এবং আকাঙ্ক্ষা হল দুঃখ-কষ্টের মূল। মধ্যপন্থা ধর্ম, নীতিশাস্ত্র এবং ব্যবহারিক জীবনের মধ্যে সংযোগকে শক্তিশালী করেছিল।

৯) চারটি আর্য সত্য এবং অষ্টাঙ্গিক পথ সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখ।

উত্তর:
চারটি মহৎ সত্য:

  1. কষ্টের অস্তিত্ব
  2. কষ্টের কারণ
  3. কষ্টের অবসান
  4. মুক্তির পথ

আটগুণ পথ:
সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি, সঠিক সংকল্প, সঠিক বক্তব্য, সঠিক কর্ম, সঠিক জীবিকা, সঠিক প্রচেষ্টা, সঠিক মননশীলতা, সঠিক একাগ্রতা। এটি নৈতিক, মানসিক এবং বৌদ্ধিক বিকাশের জন্য একটি ব্যবহারিক পদ্ধতি প্রদান করে।

১০) বৌদ্ধ গ্রন্থগুলি কীভাবে রচিত এবং সংরক্ষণ করা হয়েছিল?

উত্তর:
বুদ্ধ নিজে কোনও গ্রন্থ লেখেননি। তাঁর শিক্ষাগুলি প্রাথমিকভাবে তাঁর শিষ্যরা মৌখিকভাবে সংরক্ষণ করেছিলেন। পরে, এগুলি ত্রিপিটক – বিনয় পিটক, সুত্ত পিটক এবং অভিধম্ম পিটক নামে লিখিত আকারে সংকলিত হয়েছিল। এগুলি প্রথমে পালি ভাষায় লেখা হয়েছিল এবং পরে সংস্কৃত, চীনা এবং তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছিল। ফা-হিয়েন এবং হিউয়েন সাং ভারত থেকে চীনে অনেক বৌদ্ধ গ্রন্থ বহন করেছিলেন। পাণ্ডুলিপিগুলি তালের পাতা, বার্চের ছাল এবং কাঠের ফলকে লেখা হয়েছিল।

১১) স্তূপ কেন নির্মিত হয়েছিল?

উত্তর:
বুদ্ধের ধ্বংসাবশেষ, জিনিসপত্র এবং স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য স্তূপগুলি নির্মিত হয়েছিল। এগুলি ভক্তি, স্মরণ এবং উপাসনার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করত । সময়ের সাথে সাথে, স্তূপগুলি ধর্মীয় সমাবেশ এবং প্রদক্ষিণ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান হয়ে ওঠে। খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে, স্তূপ নির্মাণ ভারত জুড়ে ব্যাপকভাবে প্রসারিত হয় এবং পরে হিন্দু ও জৈন ঐতিহ্যকে প্রভাবিত করে।

১২) শিলালিপির প্রমাণের ভিত্তিতে স্তূপ নির্মাণ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর:
শিলালিপি থেকে জানা যায় যে, রাজা, ধনী ব্যক্তি, মহিলা এবং সাধারণ মানুষ স্তূপ নির্মাণের জন্য দান করেছিলেন। দাতাদের নাম, পেশা এবং স্থান প্রায়শই খোদাই করা হত। সুতরাং, স্তূপ নির্মাণ ছিল একটি সম্মিলিত সামাজিক কার্যকলাপ, যা ধর্মীয় গুণাবলীর সাথে সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণকে একত্রিত করত এবং প্রাচীন সমাজের মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করত।

১৩) স্তূপের গঠন বর্ণনা করো।

উত্তর:
একটি স্তূপ সাধারণত গম্বুজ আকৃতির হয়, যার উপরে একটি বর্গাকার হরমিকা থাকে, যার মুকুট একটি ছত্র (ছাতা) দ্বারা মুকুটযুক্ত থাকে। এর একটি পরিক্রমা পথ রয়েছে এবং এটি একটি বেদিকার রেলিং দ্বারা ঘেরা । এই স্থাপত্য রূপটি কেবল ভৌত নির্মাণের পরিবর্তে ভক্তি, পবিত্রতা এবং ধর্মীয় প্রতীকবাদের প্রতীক।

১৪) “সাঁচির এক ঝলক”—এর গুরুত্ব এবং সংরক্ষণ বিতর্ক ব্যাখ্যা করো।

উত্তর:
ভোপালের কাছে অবস্থিত সাঁচি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ স্থাপত্য স্থান যা তার স্তূপের জন্য বিখ্যাত। ঊনবিংশ শতাব্দীতে, ইউরোপীয়দের আগ্রহের কারণে গবেষণা এবং নিদর্শন অপসারণ উভয়ই শুরু হয়, যার ফলে সংরক্ষণ বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ভোপালের শাসকরা, বিশেষ করে শাহজাহান বেগম এবং সুলতান জাহান বেগম, সংরক্ষণ প্রচেষ্টাকে সমর্থন করেছিলেন। এটি ‘ইন সিটু’ সংরক্ষণের ধারণাকে শক্তিশালী করে – স্মৃতিস্তম্ভগুলিকে তাদের মূল স্থানে সংরক্ষণ করা।

১৫) বৌদ্ধ ভাস্কর্যে প্রতীক কেন ব্যবহার করা হত? উদাহরণ দাও।

উত্তর:
প্রাচীন বৌদ্ধ শিল্পে বুদ্ধকে মানব রূপে চিত্রিত করা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং পরিবর্তে চাকা, পদচিহ্ন, গাছ এবং স্তূপের মতো প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছিল। এগুলি ধর্ম, জ্ঞানার্জন এবং জীবনচক্রের প্রতিনিধিত্ব করে। যক্ষী মূর্তিগুলি উর্বরতা এবং সমৃদ্ধির প্রতীক ছিল, যেখানে হাতির মতো প্রাণী শক্তি এবং প্রজ্ঞার প্রতিনিধিত্ব করেছিল। এই প্রতীকগুলি বোঝার জন্য ধর্মীয় এবং ঐতিহাসিক জ্ঞানের প্রয়োজন।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This website uses cookies and asks your personal data to enhance your browsing experience. We are committed to protecting your privacy and ensuring your data is handled in compliance with the General Data Protection Regulation (GDPR).